আরমান রশিদ
মেঘভাঙা আলোর মতো, নামহীন কোনো শুভ্র সকালে।
শিশিরে ভেজা ঘাস জানত তোমার পদধ্বনির ভাষা,
আর কাশফুল দুলে উঠেছিল অকারণ উল্লাসে।
আমি তখন শুকনো নদী, পাথর ছোঁয়া নিঃসঙ্গ স্রোত,
বাতাসে উড়ে যাওয়া পাতার মতো অনিশ্চিত দিন।
তুমি এলে, বনভূমির গভীরে জ্বলে ওঠা জোনাকির মতো,
নীরবতাকেও শিখিয়ে দিলে আলো হয়ে বেঁচে থাকতে।
তারপর একদিন হেমন্ত এলো কুয়াশার সাদা চাদর মেলে,
পাখিরা দূর দিগন্তে হারাল, নদী ভুলল তারই গান।
তুমিও চলে গেলে, যেন অস্তরাগের শেষ রঙটি মুছে যায়,
তবু তোমার স্পর্শ লেগে রইল প্রতিটি সন্ধ্যার প্রাণে।
আজও পূর্ণিমা উঠলে বাতাসে তোমার নামের গন্ধ পাই,
অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা বোধহয় ঝরে না, বৃক্ষের শিকড় হয়ে মাটির গভীরে বেঁচে থাকে।


2 comments:
অসাধারণ হয়েছে কবি সাহেব..!
আসলেই অসাধারণ
Post a Comment